পাবনা প্রতিনিধি: সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে করা একটি মন্তব্যকে কেন্দ্র করে পাবনা জেলা যুবদলের সদস্য কেরামত আলীর বিরুদ্ধে সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়ার প্রক্রিয়া শুরু করেছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী যুবদল। এ লক্ষ্যে তাকে কারণ দর্শানোর (শোকজ) নোটিশ দিয়ে আগামী ২৫ জুলাই কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে উপস্থিত হয়ে লিখিত ও মৌখিক ব্যাখ্যা দিতে বলা হয়েছে।

মঙ্গলবার (২২ জুলাই) যুবদলের কেন্দ্রীয় সভাপতি আব্দুল মোনায়েম মুন্না ও সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ নুরুল ইসলাম নয়নের নির্দেশক্রমে দপ্তরের দায়িত্বপ্রাপ্ত যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মিনহাজুল ইসলাম ভূঁইয়ার স্বাক্ষরিত এক নোটিশে এ নির্দেশনা দেওয়া হয়।

নোটিশে বলা হয়, কেরামত আলী তাঁর ব্যক্তিগত ফেসবুক আইডি থেকে প্রধানমন্ত্রীর ফটোগ্রাফার খালেদ হোসেন পরাগ এবং তাঁর মরহুম পিতাকে নিয়ে আপত্তিকর ভাষায় মন্তব্য করেছেন। অভিযোগের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট পোস্টের স্ক্রিনশট সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার বিষয়টিও কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির নজরে এসেছে।

যুবদলের কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির মতে, সংগঠনের একজন সদস্য হিসেবে এ ধরনের মন্তব্য দলের শৃঙ্খলা, সুনাম ও ভাবমূর্তির সঙ্গে সাংঘর্ষিক এবং সাংগঠনিকভাবে গ্রহণযোগ্য নয়। এ কারণে তাঁর বিরুদ্ধে কেন সাংগঠনিক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে না, সে বিষয়ে ব্যাখ্যা দিতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

নোটিশ অনুযায়ী, আগামী ২৫ জুলাই ২০২৬ যুবদলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে সভাপতি আব্দুল মোনায়েম মুন্না ও সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ নুরুল ইসলাম নয়নের উপস্থিতিতে কেরামত আলীকে লিখিত ও মৌখিক ব্যাখ্যা প্রদান করতে হবে।

কেরামত আলী পাবনা জেলা যুবদলের সদস্য। তিনি রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ প্রকল্পের বহুল আলোচিত ‘বালিশ কাণ্ড’-এ আলোচনায় আসা ঠিকাদার শাহাদত হোসেনের ছোট ভাই হিসেবেও পরিচিত। তবে বর্তমান শোকজ নোটিশটি তাঁর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে করা মন্তব্যের অভিযোগের ভিত্তিতেই জারি করা হয়েছে।