পাবনা প্রতিনিধি: পাবনায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের (ডিএনসি) পৃথক অভিযানে দুই মাদক কারবারি ও দুই মাদকসেবীকে আটক করা হয়েছে। এ সময় ৭ লিটার চোলাই মদ ও ১০০ পিস ট্যাপেন্টাডল উদ্ধার করা হয়।

মঙ্গলবার (৭ জুলাই) মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর, পাবনা জেলা কার্যালয়ের চলমান মাদকবিরোধী অভিযানের অংশ হিসেবে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়।

ডিএনসি সূত্রে জানা যায়, উপ-পরিদর্শক মোহাম্মদ শের আলমের নেতৃত্বে ঈশ্বরদী সার্কেল টিম গোপন সংবাদের ভিত্তিতে আটঘরিয়া উপজেলার রামেশ্বরপুর এলাকায় অভিযান চালায়। অভিযানে রামেশ্বরপুর সরদারপাড়া গ্রামের রবিউল সরদারের ছেলে মো. মানিক সরকার (২৮)-এর বাড়ি থেকে ৭ লিটার চোলাই মদ এবং রামেশ্বরপুর পুকুরপাড়া গ্রামের মৃত তসলিম ব্যাপারীর ছেলে মো. নুর আলম (২৬)-এর বাড়ি থেকে ১০০ পিস ট্যাপেন্টাডল উদ্ধার করা হয়।

এ ঘটনায় উপ-পরিদর্শক মোহাম্মদ শের আলম বাদী হয়ে আটঘরিয়া থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে পৃথক দুটি নিয়মিত মামলা দায়ের করেছেন।

অন্যদিকে, পাবনা জেলা প্রশাসনের সহকারী কমিশনার ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ইশরাত তাসনিম বর্ষার নেতৃত্বে পরিচালিত ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযানে পাবনা সদর উপজেলার লস্করপুর এলাকার বিভিন্ন মাদক স্পট থেকে দুই মাদকসেবীকে আটক করা হয়।

আটকরা হলেন, পাবনা সদর উপজেলার হেমায়েতপুর এলাকার ঝন্টু প্রামানিকের ছেলে মো. রুবেল প্রামানিক (৩৫) এবং শালগাড়িয়া ফরেস্ট এলাকার মৃত খোশালের ছেলে মো. মারুফ (৪২)।

ডিএনসি পাবনার পরিদর্শক তারেক মাহমুদ ও উপ-পরিদর্শক মো. জামালুর রহমান ভ্রাম্যমাণ আদালতে প্রসিকিউশন উপস্থাপন করেন। পরে আদালত দুই মাদকসেবীকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ড প্রদান করে পাবনা জেলা কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।

মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর, পাবনা জেলা কার্যালয়ের উপপরিচালক মোহাম্মদ শহিদুল মান্নাফ কবীর অভিযানের বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, চলতি জুলাই মাসে এ পর্যন্ত মাদক-সংশ্লিষ্ট অপরাধে মোট ২৪ জনকে আইনের আওতায় আনা হয়েছে। মাদকের বিরুদ্ধে এ ধরনের অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে বলেও তিনি জানান।