চাটমোহর (পাবনা) প্রতিনিধি: আসন্ন গুনাইগাছা ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে তৃণমূলে শুরু হয়েছে আগাম রাজনৈতিক আলোচনা। সম্ভাব্য চেয়ারম্যান প্রার্থীদের নিয়ে চলছে নানা হিসাব-নিকাশ। এ প্রেক্ষাপটে গুনাইগাছা ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক সদস্য সচিব ও সাবেক চেয়ারম্যান মো. গোলাম মওলার নাম স্থানীয় রাজনৈতিক অঙ্গনে ব্যাপকভাবে আলোচনায় উঠে এসেছে।
স্থানীয় নেতাকর্মী ও সাধারণ মানুষের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, দীর্ঘদিন ধরে তিনি ইউনিয়নের রাজনৈতিক, সামাজিক ও মানবিক কর্মকাণ্ডে সক্রিয় রয়েছেন। করোনাকালীন সময়ে অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়ানো, বিভিন্ন দুর্যোগে সহযোগিতা করা এবং দলীয় কর্মসূচিতে নিয়মিত অংশগ্রহণের কারণে তিনি এলাকায় একটি গ্রহণযোগ্য অবস্থান তৈরি করেছেন বলে স্থানীয়দের দাবি।
এলাকার তরুণ ভোটারদের একাংশের ভাষ্য, উন্নয়নবান্ধব, সৎ ও জনবান্ধব নেতৃত্বের মাধ্যমে গুনাইগাছা ইউনিয়নকে আরও আধুনিক ও পরিকল্পিতভাবে এগিয়ে নেওয়ার প্রয়োজন রয়েছে। সেই কারণে মো. গোলাম মওলাকে সম্ভাব্য চেয়ারম্যান হিসেবে ইতিবাচকভাবে দেখছেন তারা।
চেয়ারম্যান পদে নির্বাচন করার বিষয়ে জানতে চাইলে মো. গোলাম মওলা বলেন, “রাজনীতি আমার কাছে ক্ষমতা অর্জনের বিষয় নয়, এটি মানুষের সেবা করার একটি দায়িত্ব। আমি সবসময় গুনাইগাছা ইউনিয়নবাসীর সুখ-দুঃখে পাশে থাকার চেষ্টা করেছি এবং ভবিষ্যতেও সেই ধারা অব্যাহত রাখতে চাই।”
তিনি বলেন, “সাধারণ মানুষ ও শুভাকাঙ্ক্ষীদের কাছ থেকে চেয়ারম্যান পদে নির্বাচন করার জন্য ব্যাপক উৎসাহ ও সমর্থন পাচ্ছি। জনগণ যদি আমাকে তাদের সেবা করার সুযোগ দেন, তাহলে গুনাইগাছা ইউনিয়নকে একটি আধুনিক, মাদকমুক্ত, দুর্নীতিমুক্ত ও স্মার্ট মডেল ইউনিয়ন হিসেবে গড়ে তুলতে সর্বোচ্চ আন্তরিকতা নিয়ে কাজ করব। শিক্ষা, স্বাস্থ্য, কৃষি, যোগাযোগ ব্যবস্থা, কর্মসংস্থান এবং ডিজিটাল সেবার উন্নয়ন হবে আমার অগ্রাধিকার। পাশাপাশি যুব সমাজকে মাদক থেকে দূরে রাখতে খেলাধুলা, সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ড ও সচেতনতামূলক কার্যক্রম আরও জোরদার করা হবে।”
তিনি ইউনিয়নবাসীর দোয়া, সহযোগিতা ও সমর্থন কামনা করে বলেন, “জনগণের প্রত্যাশা পূরণে স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতা ও সুশাসন নিশ্চিত করে একটি উন্নত ও বসবাসযোগ্য ইউনিয়ন গড়ে তোলাই আমার লক্ষ্য।”
এদিকে স্থানীয় সচেতন মহলের মতে, মো. গোলাম মওলার সাংগঠনিক অভিজ্ঞতা, জনসম্পৃক্ততা এবং পরিচ্ছন্ন ভাবমূর্তি আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। তবে নির্বাচনের তফসিল ঘোষণার পরই প্রার্থিতা ও নির্বাচনী প্রতিদ্বন্দ্বিতার চূড়ান্ত চিত্র স্পষ্ট হবে।প্রকাশের আগে ভারসাম্যপূর্ণ সাংবাদিকতার স্বার্থে প্রতিবেদনে উল্লেখিত দাবিগুলো সংশ্লিষ্ট অন্যান্য পক্ষের বক্তব্য বা স্বাধীনভাবে যাচাই করা হলে প্রতিবেদনটি আরও শক্তিশালী হবে।

Leave a Reply
You must be logged in to post a comment.