পাবনা প্রতিনিধি: পাবনার ঈশ্বরদীতে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের (ডিএনসি) অভিযানে ৮০০ পিস ইয়াবা ট্যাবলেটসহ মো. মাসুদ রানা (৩২) নামে এক ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এ সময় তাঁর এক সহযোগী পালিয়ে যান। অন্যদিকে, পাবনা সদর উপজেলার লস্করপুর এলাকায় পৃথক অভিযানে এক মাদকসেবীকে আটক করে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

শনিবার (২৪ অক্টোবর) পাবনা জেলা মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের পৃথক অভিযানে এসব ঘটনা ঘটে।

ডিএনসি সূত্রে জানা যায়, পরিদর্শক মো. আব্দুর রহিমের নেতৃত্বে একটি দল ঈশ্বরদী উপজেলার পাকশী ইউনিয়নের উত্তর বাঘইল গ্রামের পিন্টুর মুদি দোকানের সামনে অভিযান চালায়। এ সময় ৮০০ পিস ইয়াবা ট্যাবলেটসহ মাসুদ রানাকে গ্রেপ্তার করা হয়। তিনি পাকশী ইউনিয়নের বাঘইল কলপাড়া গ্রামের আব্দুর রাজ্জাকের ছেলে।

অভিযানের সময় প্রশাসনের উপস্থিতি টের পেয়ে মো. রায়হান আলী ওরফে রানা (৪০) নামে অপর এক ব্যক্তি ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যান। তিনি উত্তর বাঘইল গ্রামের মৃত রহিজ উদ্দিনের ছেলে। এ ঘটনায় ডিএনসির পরিদর্শক আব্দুর রহিম বাদী হয়ে দুজনের বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে ঈশ্বরদী থানায় মামলা করেছেন। পলাতক আসামিকে গ্রেপ্তারে চেষ্টা চলছে বলে জানিয়েছে ডিএনসি।

অন্যদিকে, পাবনা জেলা প্রশাসনের সহকারী কমিশনার ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ইশরাত তাসনিম বর্ষার নেতৃত্বে পাবনা সদর উপজেলার লস্করপুর এলাকার একটি মাদক স্পটে অভিযান চালানো হয়। এ সময় মো. রাসেল ইসলাম (২২) নামে এক ব্যক্তিকে আটক করা হয়। তিনি পাবনা সদর উপজেলার গয়েশপুর গ্রামের মানিকের ছেলে।

পরে ডিএনসি পাবনার উপপরিদর্শক মো. জামালুর রহমান ভ্রাম্যমাণ আদালতে প্রসিকিউশন দাখিল করেন। আদালত রাসেল ইসলামকে কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ড দেন। পরে তাঁকে পাবনা জেলা কারাগারে পাঠানো হয়।

অভিযানগুলোর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর, পাবনা জেলা কার্যালয়ের উপপরিচালক মোহাম্মদ শহিদুল মান্নাফ কবীর। তিনি জানান, জেলায় মাদকের বিরুদ্ধে নিয়মিত অভিযান অব্যাহত রয়েছে। অক্টোবর মাসে এ পর্যন্ত মাদকসংক্রান্ত অপরাধে মোট ৯২ জনকে আইনের আওতায় আনা হয়েছে। মাদকবিরোধী এ কার্যক্রম ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে বলে জানান তিনি।